Monday, 24 November 2014

Synecdoche, power, archives and digitisation

    The word ‘synecdoche’ is used to either refer to occasions when a part is used to represent a whole, or when the whole is used to represent a part. An example of the latter use, of when the whole is used to represent a part, is a sentence such as ‘India defeated Pakistan by 11 runs.’ The sentence actually means that some Indian cricket team defeated some Pakistani cricket team. Yet the term ‘India’ is used. It brings into question whether 11 human beings (or say 16 or whatever number of players, including substitutes, constituted that specific team) can be representative of 1.2 billion human beings.
    Publishing, bibliographic profiling, archiving and digitisation also follow a similar pattern. Out of all that human beings think/ feel and do, very few of such activities are written down. Out of all that human beings write down, very little is published. The sampling continues. Not all published material make it to some bibliographical list. Very few of even those items are archived for long-term future use. Digitisation of non-born-digital material is also a rare event. Very few material artifacts are digitised. Thus, there is a constant sampling or creating representatives of what to select.
    This diminishing selection is obviously closely related with power. Not many people have the power/ capacity to write. Illiteracy and leisure are two major constraints. Publication is an exercise in appeasing the powers and the moneyed. Bibliographical lists are based on a sense of elitism. Lists are only made of elite collections and publishers. The rest are termed ‘ephemera’ or temporary material artifacts. Archiving is again a matter of taste. Digitisation again brings in an element of elitism when only certain collections are considered important or elite enough to be widely representative of archives.
    Thus archiving and digitisation are activities in synecdochal expressions of power.

Sunday, 27 July 2014


    নতুন দিল্লি ভারতের রাজনৈতিক রাজধানী। কিন্তু ভারতের অর্থনৈতিক-ভাবে সবচেয়ে গুরুত্ত্বপূর্ণ শহর হল মুম্বাই। ফলে, অর্থনৈতিক রাজধানী হিসেবে দেখতে গেলে, সেটা হল মুম্বাই। মুম্বাই-এর পর সবচেয়ে গুরুত্ত্বপূর্ণ শহর অর্থনৈতিক ভাবে হল দিল্লি ও কলকাতা, নিজেদের জনসংখ্যার দৌলতে। কিন্তু তার পরেই হল বেঙ্গালুরু ও হায়দারাবাদ। এই দুই শহর -- বেঙ্গালুরু ও হায়দারাবাদ, মুম্বাই-এর পর হয়তো অর্থনৈতিক রাজধানী হিসেবে নিজেদের চিহ্নিত করতে পারে। এর পরেই সবচেয়ে গুরুত্ত্বপূর্ণ শহর হল চেন্নাই, আমেদাবাদ ও পূণে। চেন্নাই-ও নিজের জনসংখ্যার দৌলতে, অর্থনৈতিক ভাবে গুরুত্ত্বপূর্ণ। কিন্তু আমেদাবাদ ও পূণে, বেঙ্গালুরু ও হায়দারাবাদ-এর মত দেশের রাজনৈতিক রাজধানী হওয়ার মত গুরুত্ত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।
   এককালে, প্রাক-শিল্প বিপ্লবের আগে, নদিয়া অঞ্চলকে বাংলার সাংস্কৃতিক রাজধানী বলা হত। কিন্তু কলকাতার স্থাপত্যের সাথে তা কলকাতাই হয়ে গিয়েছিল। কলকাতাকে ১৯১১-র পর বলা হত দেশের সাংস্কৃতিক রাজধানী। রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ভাবে দেশের সবচেয়ে গুরুত্ত্বপূর্ণ শহর থেকে বদলে যাওয়ার পর, অর্থনীতির পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া -- সংস্কৃতিই কিছুকাল রয়ে ছিল। কিন্তু দশকের পর দশক অর্থনৈতিক ভাবে কম ক্ষমতাশালী হওয়ার ফলে, উচ্চ-আকাঙ্ক্ষা‌র মানুষেরা এই শহর ছেড়ে চলে গেছে। এমন নয় যে শহরের জনসংখ্যা কমে এসেছে। কারণ কলকাতার চেয়েও কম অর্থনৈতিক ভাবে গুরুত্ত্বপূর্ণ জায়গার বসবাসী মানুষেরা -- যাদের কাছে কলকাতাই উচ্চ-আকাঙ্ক্ষা‌র প্রতীক, তাদের মধ্যে অনেকেই কলকাতাকে নিজের শহর বানিয়ে নিয়েছে। কিন্তু তাদেরও আকাঙ্ক্ষা‌ আরো উঁচুতে উঠলে তারাও কলকাতা ছেড়ে অন্য শহরে চলে গেছে। এর ফলে কলকাতার সাংস্কৃতিক আবহাওয়াও বদলে গেছে।
    কলকাতায় আজকাল খুব একটা ভালো বাংলা সাহিত্যর রচনা হয়ে না। সাহিত্য রচনা অবসর সময়ের ফল। কলকাতার বাসিন্দাদের রোজগার করতেই ব্যস্ত থাকতে হয়। ফলে খুব একটা বেশি অবসর হয় না। এর ফলে, সাহিত্য রচনাও খুব একটা বেশি ভালো বা সংখ্যায় বেশি হয় না। চলচ্চিত্রেও একই গল্প। গানেও তাই।
আগে বলা হত কলকাতার মানুষেরা খুব পড়ুয়া। কিন্তু আজকাল খুব পড়াশোনায় মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীরাও কলকাতাতেই স্কুল-কলেজে পড়লেও, তারপর, কলকাতার বাইরে লেখাপড়া চর্চা করে, কারণ কলকাতায় অবকাশ কম।
    ফলে, কলকাতাকে এখন আর ভারতের সাংস্কৃতিক রাজধানীও বলা চলে না।

Wednesday, 23 July 2014

ভারতীয় ভাষার gigapedia/ library genesis/ libgen

ভারতীয় সংস্কৃতিচর্চার জন্য ভারতীয় ভাষায় লেখা বই-ই বেশির ভাগ সময় দরকার। সেই সব বই gigapedia/ library genesis/ libgen ভাণ্ডারে নেই কারণ প্রধানত মার্কিন বা পূর্ব য়ুরোপীয় মানুষেরাই ওই ভাণ্ডারে বইয়ের ছবি তুলে, বইটাকেও তোলে। ভারতীয় ছাত্র-ছাত্রীদের কাছে অর্থ কম, ফলে স্ক্যানার কেনার অবস্থাও সবসময় থাকে না। কিন্তু ভারতীয় সংস্কৃতিচর্চার জন্য এটা ভীষণ গুরুত্ত্বপূর্ণ।

Sunday, 6 July 2014

Studying English literature in Kolkata colleges

Studying English literature in Kolkata colleges

    In 2014, the reasons why a student may want to study English as a Bachelor of Arts (Honours) course in Kolkata are many, interest in literature, especially English literature being the primary. Liberal arts courses have never been professional courses. However, all such prospective students must keep a few things in mind. Though there are several colleges which offer English at the BA level, very few seats are there in Kolkata to study English at the MA level. Which means, that roughly 10% students go on to do an MA in English in Kolkata. Again, at the MA level, roughly 10% of MA students go on to pursue an academic career in English in Kolkata. Which means that roughly 1% of students who study English at the BA level in Kolkata, finally pursue it as an academic career in Kolkata later on it life. Roughly another 1% pursue it as an academic career outside Kolkata.
    Kolkata has a huge population. Yet, jobs are hard to come by in Kolkata. Especially for someone with a PhD in the Humanities if that person wishes for a salary in keeping with the years of training that that person has acquired in order to get a PhD degree. Among the 1% who get academic jobs in Kolkata, they get it roughly at the age of 30-38. Usually MA students graduate at the age of 23. Which means it takes roughly 7-15 years to complete a PhD and get an academic job. By the age of 30-38, fellow school students who studied professional courses, are usually well-established in their careers and earn significantly. Whereas, when this 1% finally gets a teaching job, they do so at the lowest level. Therefore, chances are that by the age of 30-38, even if one belongs to that select 1%, one will earn significantly less than most of one’s peers who studied professional courses after graduating from school. This may not seem an impediment, especially to someone who has already chosen to study English. But one must remember that one’s lifestyle and social circle is often dependent on one’s income.
    Given the scenario of academic jobs, if one were to look at non-academic jobs after getting a PhD, the chances of securing a well-paying job are far and few between. Thus, most BA graduates and MA graduates enter non-academic jobs. Among the ones who choose to stay and work in Kolkata, the jobs usually involve working for newspapers, content-providing departments of technology companies, advertising. If one manages to secure additional qualification, such as computer programming skills, one can actually go on to do a computer-programming job, or work in the technology sector where most graduates even from the sciences and engineering faculties work. If one possesses enough mathematical skills, one can try and study for an MBA after completing a BA. An MBA course is often studied by even those studying B.Tech.
    Thus, after one year of studying in the BA English course, one should analyse what one’s interests and skills are. If a student feels that the student does not wish to pursue an academic career in English and try and become an English teacher, then one should try to acquire additional skills in the final two years of the BA course. It is pointless going on to do an MA according to the inertia of motion. Even if one goes on to do an MA (a master’s degree is often the minimum eligibility for a lot of jobs), be it in English or some other Arts subject, one should ideally know by the second year of one’s MA studies, as to whether the student is looking for a job as a teacher. If not, one should again start applying for internships in prospective sectors in which one wishes to work and start acquiring additional skills that may be needed for jobs that one wishes to apply to.
    These thoughts regarding the future may seem daunting to a student fresh out of school. Yet, these are points to keep in mind as one does one’s BA and MA. Ancient Greek poetry or 16th century English drama may seem fascinating to the young student. But it is not particularly of interest to prospective employers, even for academic jobs. Academic jobs are more often given on the basis of one’s number of publications and degrees, rather than knowledge on a specific academic subject.
    Having said all this, one may question as to why one should study literature at all. The answer is that it opens up the mind to new forms of knowledge about the world. One becomes a more aware citizen of the world, and perhaps by virtue of that awareness, a more responsible, and hence, a better human being. However, these are not qualities on the basis of which jobs are given. One should also be aware of the realities of life. Else, like the writer of this opinion, one may be 28 years old and be without a permanent job. Lack of financial security prevents one from planning one’s life properly. It becomes a series of impromptu decisions.

P.S. An interesting read can be found over here.

Friday, 20 June 2014

ক্যালভিন এ্যণ্ড হব্স

ক্যালভিন এ্যণ্ড হব্স আমার প্রিয় কমিক্স এর মধ্যে এক। টিনটিন ও এ্যস্টেরিক্স-এর সঙ্গে আমার সবচেয়ে প্রিয় কমিক্স ক্যালভিন এ্যণ্ড হব্স। ক্যালভিন এ্যণ্ড হব্স টিনটিন-এর থেকে একটু বেশি রাজনৈতিক ভাবে ঠিক। এবং যখন ঠিক নয়, যেরকম মহিলাদের প্রতি মতামত, তখন তা একটা বাচ্চা ছেলের কল্পনা হিসেবে বেঠিক হয়েও ঠিক হিসেবে ধরা যায়। ক্যালভিন এ্যণ্ড হব্স-এ যা মতামত প্রকাশ করা হয়ে তা একটা বাচ্চা ছেলের পক্ষে সম্ভব নয়। ফলে পুরোটাই কাল্পনিক, যেরকম যে কোন কাল্পনিক গল্প হয়। ক্যালভিন এ্যণ্ড হব্স আমার প্রিয় কমিক্স এর মধ্যে একটার হওয়ার কারণ বিল ওয়াটারসান এর নিজের ব্যক্তিত্ব-ও। উনি সঙ্গ-কাতর। ওনার দুটো বক্তৃতাই সাধারণত ইন্টারনেটে পাওয়া যায়, সেগুলো হল এই দুটো। ক্যালভিন এ্যণ্ড হব্স সহজেই ইন্টারনেটে নামিয়ে পড়া যায়। দুটো অনুসন্ধান প্রকল্প-ও আছে ক্যালভিন এ্যণ্ড হব্স এর কমিক্স গুলোর জন্য। সেগুলো হল এই দুটো

Friday, 13 June 2014

The first library that I was a member of

    The first library that I was a member of, was the library in Calcutta Boys’ School (there was no ‘The’ prefix during my time, since there were no branches and thus no need to highlight the main branch, as there is now). I think it was from class 3 when we were allowed to be members of the school library. The library, through all the years I was in school (1991-2004), was situated on the top floor of the building also housing the physics, chemistry and biology lab. The library was connected to the Chapel Hall (which was the junior chapel hall during my time) via a flight of stairs. I am aware that the library is no longer there. It is now in the open space which used to be the senior chapel hall. What used to be the library in my time, is now a classroom. That room, the library during my time, was a long, rectangular room with an antechamber (to which students were not allowed entry). The long, rectangular room had rectangular tables and stools beside them. The walls were lined with cupboards containing the books.
    There were two librarians in my time. First there was Mrs. Lala, and then, during the last 4-5 years, Mrs. N. Bhaumik was the librarian. Among library assistants, the only people who come to mind are Khokon-da and Mansur-da. Mansur-da was the library assistant, sold patties during lunch break (people sold food in the open courtyard behind the library building and the middle building -- I wonder if the open courtyard is still there, as I had heard after I passed out of school, that it was to be utilised for something else), and was the cook during school picnics and teachers’ day celebrations. Continuing with Mansur-da, I must mention two images that come to mind. One is that during both school picnics and teachers’ day celebrations, very often the fire was lit using broken chairs and tables! It is one of those images that have stuck in my mind. The other image is that during teachers' day celebrations, the meal for the teachers was cooked in that open courtyard. Students also used to play in that courtyard. Quite often, the little rubber ball that some students were playing with would fall into the open drain. The students would pick it up and continue playing. Sometimes after that, the ball would again fall into the huge tubs in which the food was kept. I remember this image of Mansur-da picking the dirty ball out of the food, throwing it to the students and instructing them to go play somewhere else. Well, those days are long gone. I hope no one feels yucky after reading this!
    During my time, we had an official library period once a week. This was when the entire class went to the library, returned books, issued new ones and read through other books. However, when we were in our senior classes, we realised we could also do this at any other point of time in the week as well. It helped to have an official library period, so as to avoid overcrowding but it was not as if we were not allowed in the library at any point of time other than those designated 50 minutes per week.
    I remember the first book that I borrowed from the school library was a hard-bound book with a colourful cover. I think the book was called What Katy Did. A Google-search reveals that it was written by someone under the pen name Susan Coolidge. I never read that book! I just borrowed it during my first ever library period because it had a colourful cover.
    I never made it in life as a serious student of the sciences. This was probably because I never borrowed a science book during my entire school life! I remember when we were in class 5 and thereabouts, the most-wanted books in the library were the Hardy Boys ones by Franklin W. Dixon. The books were so much in demand that there used to be a queue of students lining up to that specific section in the library housing these books. Where there is a queue, there is usually jostling. Students in class 5 used to rush to be the first one to reach the library in order to be first in that queue and not miss out on a Hardy Boys book. My elder brother is about four years senior to me and was not a student of Calcutta Boys’ School. However, he had already built up a Hardy Boys collection at home by the time he was in class 5 or so. So, I had been introduced to Hardy Boys when I was in class 2 or thereabouts and by the time I was in class 5, I did not feel the need to be in this queue. I had already read them years back at home!
    From about class 8 onwards, I used to borrow PG Wodehouse and books of similar humour. There was a small group of about 10 or so students who read PG Wodehouse. He was not as popular as Franklin W. Dixon. Also, by class 8, most of my fellow class-mates had moved on to science books. I felt left out of a desire to know more about the sciences. I was content with my PG Wodehouse and my Jerome K Jerome. Ignorance is, often, bliss. Unfortunate yet true.
    One of the other things I remember about the library is this large, framed, rectangular drawing (or perhaps poster) on the wall, of a little girl with her finger to her lips indicating ‘Shhhh, silence is golden’. Silence is one of the things I remember about the school library. Even though we were extremely noisy in the classrooms, we were quite quiet in the library. Perhaps it was because there was no teacher whom we had to follow. We could do whatever we wanted. A lot of people slept in the library. Good decision. I think it was time well-spent as it was time spent according to one’s own will.
    The antechamber that I mentioned earlier, was a room where the librarian retired for lunch. That was also a room which had books that were not to be lent out. I remember there was the Encyclopaedia Britannica in there. I looked at it once. But it was imposing in itself -- in a room to which students were usually not allowed entry, not to be lent out, rarely used and hence dusty and thus even less inviting. The advent of Wikipedia has done away with the Encyclopaedia Britannica. I am glad about it!
    There were some Biblical paintings by Victor Nag, former art teacher of Calcutta Boys’ School whose paintings also adorned the walls of the Junior Chapel Hall, that were hung up in the library. There was also a framed photograph of Rabindranath, who was otherwise quite absent from our school life except for the stray poem, short story, or essay which was part of our curriculum.
    There was also a framed photograph of Clifford Hicks, the much-hated and much-respected former principal of Calcutta Boys’ School, which was put up in the library later on (or maybe it was there all along, I forget now, it has been ten years since I left school and I am fast progressing down the way of all flesh). I have a photograph of this photograph. My photograph was shot in 2004, the last year I spent in school. Those were the analogue days before digital cameras, mobile phones, indulgent parents willing to lend a camera to their children, or pocket money enough to buy rolls of film and get them developed. During my last year in school, a lot of us brought a camera once in a while and tried to capture their favourite places and people on film, to keep a tangible property linking them to those places and  those people, in the life to follow. So photographs of my school days are very few and hence quite treasured.
    However, the most treasured photographs are not recorded on any film, but in my memory. I know it is a cheesy way to end this, but I like it!

Saturday, 7 June 2014

প্রিয় বই

মানুষের প্রিয় বই, মানুষের মতই, সারা জীবন বদলাতে থাকে। ছোটবেলায় যে বই ভালো লেগে থাকে, বড় হয়ে সেই বই ভালো নাও লাগতে পারে। তার কারণ মানুষের চিন্তাধারা সারা জীবন বদলাতে থাকে। ছোটবেলার চিন্তাধারা থেকে হয়তো বড় হয়ে মানুষে সম্পূর্ণ তার বিপরীত ভাবে। ফলে, প্রিয় বই হয়ত সারা জীবনের হয় না, বরঞ্চ মুহুর্তের হয়। ছোটবেলায় যে বই ভালো লাগে, বড় হয়েও সেই বই ভালো লাগলে হয়তো বলা যেতে পারে যে সেই বই সারা জীবন ধরেই প্রিয় বই। যে কোন মুহুর্তে মানুষের প্রিয় বই-এর তালিকার মধ্যে থাকে কয়েকটা সম্প্রতি পড়া বই ও কয়েকটা বই যার অল্প স্মৃতি থাকে যে সে বই এককালে ভালো লেগেছিল। সেই আগেকার পড়া বই এই মুহুর্তে আদৌ ভালো লাগবে কি না, তা বলা কঠিন।
এই বলে, এবার আমার কয়েকটা প্রিয় বই-এর তালিকা বানাতে চাই। তালিকায় কোন বই কোথায় আছে, তা, সেই বইটা কত ভালো লেগেছে তার উপর নির্ভরশীল নয়। যেটা আগে মনে এসেছে, সেটাই লিখেছি।

১। James Hilton, Goodbye, Mr. Chips (১৯৩৪)

যখন স্কুলে পড়তাম, তখন স্কুলে অবস্থিত বই পড়তে ভালো লাগতে। হয়তো ছোট বেলায় তাই এই বইটা খুব ভালো লেগেছিল। ক্লাস ৮-এ পড়েছিলাম হয়তো। তার পর আর কখনও পড়িনি। কিন্তু তখন খুব ভালো লেগেছিলো।

২। PG Wodehouse, সমগ্র

এক বই অন্য বই-এর মত। তাই আলাদা করে কোন বই বিশেষ ভালো লাগতো না, কিন্তু সব বই-ই ভালো লাগতো, স্কুলে অবস্থিত বইগুলোউ।

৩। Milan Kundera, The Unbearable Lightness of Being (১৯৮৪)

বইটা প্রথম পড়েছিলাম ২৫ বছর বয়সে, আজ থেকে ৪ বছর আগে। তার পড়ে আর পড়িনি, কিন্তু তখন খুব ভালো লেগেছিলো। লেখকের অন্য অনেক বই-ও পড়েছিলাম, কিন্তু এটাই সবচেয়ে ভালো লেগেছিলো।

৪। Roald Dahl, Charlie and the Chocolate Factory (১৯৬৪)

প্রথম পড়েছিলাম হয়তো ১০ বছর বয়সে। তার পড়ে আবারও পড়েছি, কবে তা আর এখন ঠিক মনে নেই।

৫। Roald Dahl, Going Solo (১৯৮৬)

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের এক ব্যক্তিগত আখ্যান। বড় হয়েও আরেক বার পড়েছিলাম কিছু দিন আগেই। এখনও ভালো লাগে, যদিও ঔপনিবেশিক ভাবটা এখন বেশি চোখে পড়ে।

৬। Thomas Hughes, Tom Brown's School Days (১৮৫৭)

এই বইটার একটা সংক্ষিপ্ত সংস্করণ ক্লাস ৬-এ পাঠ্যপুস্তক হিসেবে ছিলো, এবং ক্লাস ৯-এ গোটা সংস্করণটা পড়েছিলাম। বইটার শেষ পরিচ্ছেদটা খুব আবেগপ্রবণ ও ভালো লেগেছিলো। বাকি বইটাও খুব ভালো লেগেছিলো।

৭। Salman Rushdie, Midnight's Children (১৯৮০)

UG পড়ার সময় পাঠ্যপুস্তক হিসেবে বইটা ছিলো। বইটার ভাষা ও ভারতের কাহিনী পড়তে ভালো লেগেছিলো।

৮। Arundhati Roy, The God of Small Things (১৯৯৭)

ক্লাস ১২-এ বইটা পড়েছিলাম। এখন আর খুব একটা মনে নেই, কিন্তু তখন খুব ভালো লেগেছিলো। এখন লেখিকার সাধারণ বক্তৃতা খুব বাজে লাগে কারণ তাতে ভুল তথ্য থাকে অনেক।

৯। RK Narayan, The Guide (১৯৫৮)

বইটা ক্লাস ৮/৯/১০-এ পড়েছিলাম প্রথম, তারপর আবার সম্প্রতি পড়লাম। খুব ভালো।

১০। Khushwant Singh, Train to Pakistan (১৯৫৬)

বইটা সম্প্রতি প্রথম বার পড়লাম। খুব ভালো লাগলো।

১১। Peter Carey, True History of the Carey Gang (২০০০)

বইটা সম্প্রতি প্রথম বার পড়লাম। বইটার ভাষা যা নেড কেল্লির 'জেরিলডেরি লেটার'-এর ভাষার অনুকরণে লেখা, তা খুব ভালো লাগলো।

১২। Alice Munro, The Love of a Good Woman (১৯৯৮)

এই ছোট গল্পের সংকলন সম্প্রতি প্রথম বার পড়লাম। বইটার লেখার ধরন খুব ভালো লাগলো। শান্ত ভাব। তার মধেই অশান্তি। কিন্তু তার মধ্যেও শান্তি।

১৩। Toni Morrison

UG পড়ার সময় Beloved (১৯৮৭) পাঠ্যপুস্তক হিসেবে ছিলো। বইটার ভাষা ভালো লেগেছিলো। তারপরে Sula ও The Bluest Eye পড়েছিলাম। দুটোই খুব ভালো লেগেছিলো।

১৪। Amitav Ghosh, The Hungry Tide (২০০৫) ও The Glass Palace (২০০০)

লেখকের ভাষাটা খুব সাধারণ লাগে। অতটা ভালো লাগে না। কিন্তু এই বইয় দুটো তাও পড়তে ভালো লেগেছিল যখন বইগুলো পড়েছিলাম। লেখকের সব বই-ই পড়েছি। এই দুটোই বাকিগুলোর চেয়ে ভালো লেগেছিলো। আরেকবার পড়লে লাগবে কি না, তা বলতে পারবো না।

১৫। Jerome K. Jerome, Three Men in a Boat (১৮৮৯) ও Three Men on the Bummel (১৯০০)

যখন PG Wodehouse পড়তাম স্কুলে, তখনই এগুলোউ পড়েছিলাম। খুব ভালো লেগেছিলো।

১৬। Stieg Larsson, The Girl with the Dragon Tattoo (২০০৮)

বইটা খুব আঁটো। চলচ্চিত্রটা দেখার পর এই বইটা পড়েছিলাম। বইটা চলচ্চিত্রটার থেকেও বেশি ভালো লেগেছিলো। বাকি দুটো বই এই প্রথম বইটার চেয়ে কম আঁটো, একটু বেশি ছড়ানো।

১৭। JM Coetzee, Disgrace (১৯৯৯)

বই-এর প্রধান চরিত্র যে এরকম ও হতে পারে, জানতাম না। বইটা ৫ বছর আগে পড়েছিলাম। এই তালিকায় এর পরের বই দুটোউ একই সময়ে পড়েছিলাম।

১৮। Peter Singer, Animal Liberation (১৯৭৫)

প্রভাবশালী বই। আমাকেও প্রভাব করেছে।

১৯। JM Coetzee, The Lives of Animals (১৯৯৯)

আমায় নতুন ভাবে ভাবিয়ে তুলেছিল।

২০। Richard Feynman, Surely You're Joking, Mr. Feynman! (১৯৮৫)

গম্ভীর মানুষেরা যে এরকমও হতে পারে, তা জানতাম না। বইটা মনে হয় স্কুলের শেষ দিকে পড়েছিলাম। বড় হয়ে Feynman-এর নিজ-তৈরি ব্যক্তিত্ত্বের ব্যাপারে পড়ে ও Feynman-ও যে নিজের সময়কার পুরুষতন্ত্রের শিকার, তা বুঝে, বইটার ভালো লাগা অনেকটা কমে গিয়েছে, তবুও ছোট বেলায় খুব ভালো লেগেছিলো বইটা।

২১। Bram Stoker, Dracula (১৮৯৭)

UG পড়ার সময় পাঠ্যপুস্তক হিসেবে বইটা ছিলো।

২২। JM Barrie, Peter and Wendy (১৯১১)

বইটা মনে হয় স্কুলের শেষ দিকে পড়েছিলাম। জনি ডেপ অভিনীত জে.এম. ব্যারির উপর চলচ্চিত্র দেখার পর। চলচ্চিত্রটা ও বইটা দুটোই খুব ভালো লেগেছিলো সেই বড় বয়সেও।

২৩। মতি নন্দী, কোনি (১৯৭৫)

তিন বছর আগে পড়েছিলাম। খুব ভালো লেগেছিলো। দশটি কিশোর উপন্যাস নামে আনন্দ পাবলিশার্স-এর যে সংকলন আছে, তার বাকি গল্পগুলোউ তখন পড়েছিলাম। বেশ ভালো লেগেছিলো।

২৪। নারায়ণ গঙ্গোপাদ্যায়, টেনিদা সমগ্র

বড় বয়সে, UG পড়ার সময় পড়েছিলাম প্রথম বার। কিন্তু তাও খুব ভালো লেগেছিলো। ভাষার জন্য।

২৫। Tintin

৩-৪ বছর বয়স থেকে হয়তো পড়তে শুরু করেছিলাম। এখনও মাঝে মাঝেই পড়ি। ছোট বেলায় এক ভাবে পড়তাম। বড় হয়ে আরও সমালোচক-এর দৃষ্টি নিয়ে পড়ি, কিন্তু তাও পড়ি এবং পড়তে ভালো লাগে।

২৬। Oscar Wilde

ছোট বেলা থেকে একটু একটু করে পড়েছি। ভাষাটা খুব ভালো লাগে।

২৭। বিভূতিভূষণ বন্দোপাধ্যায়, চাঁদের পাহাড় (১৯৩৭)

ছোট বেলায় একবার পড়েছিলাম। বছর খানেক আগে আরেকবার পড়েছিলাম। দ্রুত, আঁটো ভাবটা খুব ভালো লাগে।

২৮। Raymond Chandler, The Big Sleep (১৯৩৯) ও The Long Goodbye (১৯৫৩)

MA পাশ করার পর পড়েছিলাম। ভাষাটা খুব ভালো লেগেছিলো।

২৯। George Mikes, Tsi-Tsa: A Biography (১৯৭৮)

বইটা আমি সবে সবে পড়া শেষ করলাম। কোথাও একটা নিজের জীবনের সাথে বেশ মিল খুঁজে পেলাম।

৩০। William Thackeray, Vanity Fair (১৮৪৮)

বইটা আমি কয়েক বছর আগে পড়েছিলাম। বইটার লেখার ভাষা আমার খুব ভালো লেগেছিলো। বইটার জীবন নিয়ে দর্র্শনটাও তীক্ষ্ণ।

৩১। রুশদেশের উপকথা  (রাদুগা পাবলিশার্স)

বইটা একদম ছোট্ট বেলায় আমার প্রিয় বই ছিল। প্রথমে আমার মা আমাকে ও আমার দাদাকে পড়ে শোনাতো এবং পরে যখন আমি নিজে নিজে পড়তে শিখি, তখন নিজেই এই বইটা বারবার পড়তাম। এই বইটার ছবিগুলোউ আমার খুব ভালো লাগতো।বইটায় একটা গল্প ছিল ‘গোল রুটি’। সেই গল্পটা দুপুরে খাওয়ার আগে পড়লে, আমার রুটি, যেটা এমনিতে খেতে ভালো লাগতো না, সেটাও আকর্ষণীয় লাগতো। একটা গল্পে একটা চরিত্র মাংসের ঝোল খেতো। সেই গল্পটা পড়ার পর আমার নিজের ও মাংসের ঝোল খেতে ইচ্ছে করতো। অন্য অনেক বাঙালি বাচ্চাদের মত আমি ছোট বেলায় খুব বেশি সোভিয়েত বই পড়িনি। ছোট বেলায় মনে হয় শুধু এই বইটাই পড়েছিলাম। আর বড় হয়ে, এই রকম বই আমার পড়তে ভালো লাগতো না।

৩২। তিনটে ইংরিজি ছোট গল্প। O. Henry’র ‘The Gift of the Magi’ আর ‘A Retrieved Reformation’ এবং Saki’র ‘Dusk’। প্রথমেরটা এবং শেষেরটা ক্লাস ৯-এ পাঠ হিসেবে ছিলো। দ্বিতীয়টাও তখনই পড়েছিলাম। খুব ভালো লেগেছিলো তখন। এখনো পড়লে খুব ভালো লাগে।

৩৩। তিনটে বাংলা ছোট গল্প দিয়ে শেষ করবো। শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘মহেশ’ আর ‘অভাগীর স্বর্গ’ এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘ছুটি’। তিনটেই ক্লাস ৯-এ পাঠ হিসেবে ছিলো। খুব ভালো লেগেছিলো তখন। এখনো পড়লে খুব ভালো লাগে।


৩৪। Leo Tolstoy, War and Peace (১৮৬৯)

PhD শেষ করার পর বইটা পুরোটা পড়ার অবকাশ পেলাম। এর আগে যখন কিনেছিলাম, তখন পড়া শুরু করেও শেষ করতে পারিনি কারণ জীবনে তখন অত সময় ছিল না। বইটা ভালো লেগেছিলো। এর পরেই Anna Karenina-ও পড়েছিলাম। Anna Karenina ভালো লাগলেও War and Peace বেশি ভালো লেগেছিলো।

Saturday, 31 May 2014

শব্দের ক্ষমতা

শব্দের ক্ষমতা

সতেরো-খানা হাইকু

পরিচয় গুপ্ত 


পদ্য না অঙ্ক?

তিনটে আলাদা চিত্র
পাঁচ-সাত-পাঁচ করে

হাইকু ০১৭: “ছাইড়া যামু না”

“ছাইড়া যামু না”

বস্তিতে পুলিশের মার
ঝা-চকচকে মল

হাইকু ০১৬: গরমকালের রাত

গরমকালের রাত

স্তব্ধ, হাঁসফাঁস করা ঘর
চোখ বুঝলেই বরফ

হাইকু ০১৫: বাড়ন্ত বাচ্চা

বাড়ন্ত বাচ্চা

গদ গদ গদ গদ গোঁ করে
জলের জগ ভর্তি

হাইকু ০১৪: ক্ষমতার সীমা

ক্ষমতার সীমা

দুশো মিটারের শেষ দিক
বহু পর হিশু

Friday, 30 May 2014

হাইকু ০১৩: বৃষ্টির দুই প্রাপক

বৃষ্টির দুই প্রাপক

শুষ্ক মাটি ও চামড়া
ভেঙে-পরছে ছাদ

Friday, 17 January 2014

হাইকু ০১২: হারানো শব্দ

হারানো শব্দ

শীতকালের অন্তিম রাত্রে
আজানের আভাস